Skip to content
KP Imon
KP Imon

Words Crafted

  • গুহামুখ
  • সূচিপত্র
  • গল্প
    • রম্য
    • জীবনধর্মী থৃলার
    • সাইকোলজিক্যাল
    • রোমান্টিক
    • ক্রাইম
    • সাসপেন্স
    • জীবনধর্মী
  • নন-ফিকশন
    • থট প্রসেস
    • উচ্চশিক্ষা
    • আমেরিকা-নামা
    • জীবনোন্নয়ন
    • তাত্ত্বিক আলোচনা
    • ডায়েরি
  • প্রকাশিত বইসমূহ
    • প্রকাশিত বইসমূহ
    • যেসব গল্প সংকলনে আছে আমার গল্প
KP Imon
KP Imon

Words Crafted

সোশিওপ্যাথ প্রতিদিন আপনার সাথে মিশবে না

Posted on August 1, 2023
সোশিওপ্যাথদের সোশাল/লাভ/ফ্রেন্ডশিপ ল্যাঙুয়েজই হচ্ছে “Leave me alone.”
যে সোশিওপ্যাথকে আপনি ঘাঁটাবেন না, আপনি তার সবচেয়ে বড় বন্ধু। দুই বছর হোক, দশ বছর পর হোক, সে আপনার সাথে দেখা করতে চাইবে। কথা বলতে চাইবে। (এটা সোশিওদের জন্য রেয়ার। তারা কারো সাথে দেখা করতে চায় না সহজে) যখন দেখা হবে তখন আপনার সাথে এমনভাবে মিশবে যেন শেষ দেখা গতকাল হয়েছে।
যে সোশিওপ্যাথকে আপনি ঘাঁটাবেন না, আপনি তার সবচেয়ে প্রিয় বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ড। দুই বছর হোক, দশ বছর পর হোক, সে আপনার সাথে দেখা করতে চাইবে। কথা বলতে চাইবে। যখন দেখা হবে তখন আপনার সাথে এমনভাবে মিশবে যেন শেষ দেখা গতকাল হয়েছে।
যে সোশিওপ্যাথকে আপনি ঘাঁটাবেন না, আপনি তার সবচেয়ে ভালো পরিবারের সদস্য। দুই বছর হোক, দশ বছর পর হোক, সে আপনার সাথে দেখা করতে চাইবে। কথা বলতে চাইবে। যখন দেখা হবে তখন আপনার সাথে এমনভাবে মিশবে যেন শেষ দেখা গতকাল হয়েছে।
যে সোশিওপ্যাথকে আপনি রুটিন ধরে অমুক করা লাগবে, তমুক করা লাগবে, প্রতিদিন বিকালে আড্ডা দিতে হবে, সপ্তাহে একবার ভিডিওকল করা লাগবে, তিন মাসে তমুক করা লাগবে, ছয় মাসে চমুক, বছরে অ্যানিভার্সারি, বার্থডে, ইত্যাদি – সে হাতে প্রাণটা নিয়ে আপনার থেকে দূরে দূরে থাকবে। সোশিওপ্যাথের একটাই চাওয়া, “ভাই, আমাকে তুমি সাপোর্ট দাও অথবা না দাও, আমার সাথে কথা বলো অথবা না বলো, ঘুরো অথবা না ঘুরো, আমার আপত্তি নাই। তুমি তোমার মতো থাকো। কিন্তু আমাকে আমার মতো থাকতে দাও।”
যে তাকে যত বেশি তার মতো থাকতে দেবে তার সাথে সে তত বেশি থাকতে চাইবে। সেটা দশ বছরে দুইবার হলেও।
এতে আমি খারাপ কিছু দেখি না। বরং এটাই স্বাভাবিক।
ইদানিং মেন্টাল হেলথের নাম করে এই মানুষগুলোকে নর্মিরা একেবারে বন্দুক তাক করে ধরেছে। এসব আমি পাত্তা দেই না একেবারেই। নর্মিদের থেকে সোশিওপ্যাথদের মেন্টাল হেলথের অবস্থা বেশি খারাপ। অথচ নর্মিদের আবদার হচ্ছে সোশিওপ্যাথ তার সাথে অমুক অমুক করেনি তারমানে তার সাথে “সাইকোলজি টার্ম ০১”, “সাইকোলজি টার্ম ০২”, “সাইকোলজি টার্ম ০৩”, “সাইকোলজি টার্ম ০৪” ইত্যাদি করা হয়েছে।
ট্রুলি স্পিকিং, নর্মিরা সোশিওপ্যাথদের সাথে যা করে জ্বালাতন করে তা তাদের কতগুলো সাইকোলজিকাল সমস্যা জন্ম দেয় তা তালিকা করে শেষ করা যাবে না। অথচ নর্মিদের ভাব দেখে মনে হয় সোশিওপ্যাথ তাদের জীবন শেষ করে দিয়েছে আর তারা একেকজন খুব উপকার করেছে সোশিওপ্যাথের মানসিক অবস্থার।
না ভাই।
আমি প্রায় ১০-১২ টা এক্সপোজ স্টোরি পড়লাম গত এক বছরে।
সোশিওপ্যাথের দল আপনাদের আপনাদের মতো থাকতে দিয়েছে।
আপনি আপনার নর্মি-সংজ্ঞায় ব্যবহার পান নাই বলে সোশিওপ্যাথ ছেলেটার বা মেয়েটার দিকেই উলটা বন্দুক তুলেছেন।
কেন?
সোশিওপ্যাথ প্রতিদিন আপনার সাথে মিশবে না। অ্যাটাচমেন্টে যাবে না। অবশ্যই যাবে না। মরবে নাকি? আপনি একটা মানুষকে গুলি করে মেরে ফেললে আপনার সাইকোলজিতে যতটা চেঞ্জ আসবে, যত পিটিএসডি হবে, একজন সোশিওপ্যাথের জীবনে তার সমপরিমাণ চেঞ্জ আসবে, পিটিএসডি হবে যদি আপনার সাথে তার নর্মিদের মতো মেশা লাগে।
তাই বলে সোশিওপ্যাথ বন্ধু বানাবে না? প্রেম করবে না? পরিবার থাকবে না তাদের?
আপনাদের এক্সপোজ পোস্ট দেখে মনে হয় তাদের বন্ধু, প্রেম, পরিবার থাকাই দোষ। বুঝেন নাই তাদের, বেশ কথা, তাদের পেছনে না লাগাই ভালো হবে। অবশ্য এটা বলে লাভ তেমন নাই, নর্মিরা নিজেদের ভালো পেলেই হলো। ঐ নিজেদের সংজ্ঞায় কেয়ার, কমফোর্ট, সেন্স অফ রেসপন্সিবিলিটি, সোশাল ফিডব্যাক ইত্যাদি পেলেই খুশি।
সোশিওপ্যাথ বোঝার ঠেকা পড়েনি তাদের।
এমনি এমনি তো আর সোশিওরা নর্মি গায়েব করে দেয় না। এইসব জ্বালাতনেই তা করে।
তাত্ত্বিক আলোচনা নন-ফিকশন

Post navigation

Previous post
Next post

কিশোর পাশা ইমন

১২টি ক্রাইম থৃলারের লেখক কিশোর পাশা ইমন রুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন, এখন টেক্সাস ষ্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স করেছেন মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। বর্তমানে টেক্সাসের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ইউটি ডালাসে মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডির ছাত্র। ছোটগল্প, চিত্রনাট্য, ও উপন্যাস লিখে পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছেন। তার লেখা প্রকাশিত হয় বাংলাদেশ ও ভারতের স্বনামধন্য প্রকাশনা সংস্থা থেকে। তার বইগুলো নিয়ে জানতে "প্রকাশিত বইসমূহ" মেনু ভিজিট করুন।

Related Posts

জেলিকস

Posted on March 7, 2023

এক বেচারি মেয়েকে লাগানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে ছিল এক লোক। মেয়েটা ত্রিশ মিনিট আগে আমার কাছে এসে একটা সিগারেট চেয়েছে, ওকে বললাম, “যদি পাঁচটা মিনিট অপেক্ষা করতে পারো, তোমাকে সিগারেট এনে দিচ্ছি।”

সিগারেট আমারও লাগতো। কাজেই আমাকে ওটা আনতে হতোই। এনে দেখি ঐ লোক বেচারির পিছে লেগে আছে। লাগানোর ধান্ধা।

ওকে সিগারেটটা দিয়ে বললাম, “খাও ভাই যতো ইচ্ছে।”
একটা হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললো, “আমার নাম জেনিফার।”

Read More

আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা | অধ্যায় ০১ – রেকমেন্ডেশন

Posted on August 1, 2021February 6, 2023

কাছের এক বেঞ্চে বসতে গিয়ে বুঝলাম, আজ নেংটু না হয়ে প্লেনে ওঠা সম্ভব হবে না।

Read More
তাত্ত্বিক আলোচনা

ফ্রি-মিক্সিং সমস্যা নয়, ফ্রি-মিক্সিংই সমাধান

Posted on September 25, 2023September 25, 2023

২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ মেয়েদের উত্যক্ত করার অভ্যাসটা মূলতঃ গড়েছে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা আর সমাজ সংস্কার। দেশের আশিভাগ কিশোরের নারী সংক্রান্ত আগ্রহটা থাকে বাড়াবাড়ি পর্যায়ের। অন্য কোনোখানে আপনি এমনটা দেখবেন না। কারণটা সবার চোখের সামনে থাকলেও দেখবেন কেউ তা নিয়ে টু শব্দটাও করছে না। ছেলেদের অনভিজ্ঞতাই এসবকিছুর জন্য দায়ী। ইভ টিজিং, মেয়ে…

Read More

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ লেখাগুলো

  • The Son of Bangladesh: KP’s Voice for the Marginalized
  • ওয়ান ফর মাই সৌল
  • আমার যত প্রকাশক
  • কেপির সেরা লেখা কোনটি – জরিপ ২০২২
  • আন্ডারএইজের বই পড়া

Analytics

010500
Total Users : 10500
Total views : 25877
Who's Online : 0
Powered By WPS Visitor Counter
©2026 KP Imon | WordPress Theme by SuperbThemes